চলমান কথা

গত ১১ মে, ২০২০ আশুগঞ্জ তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের অনলাইন পরীক্ষার শুভ উদ্বোধন করেন প্রকৌশলী এ এম এম সাজ্জাদুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এপিএসসিএল।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু; স্বপ্ন হলো সত্যি। স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সাথে স্বপ্ন যাবে বাড়ি।

Friday, September 25, 2020

বর্ণমালা অনুসারে বাংলাদেশের সকল জেলার নামের তালিকা

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা নাম

01. Brahmanbaria (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
02. Bandarban (বান্দরবন)
03. Barguna (বরগুনা)
04. Barisal (বরিশাল)
05. Bagerhat (বাগেরহাট)
06. Bhola (ভোলা)
07. Bogra (বগুড়া)
08. Chandpur (চাঁদপুর)
09. Chittagong (চট্টগ্রাম)
10. Chuadanga (চুয়াডাঙ্গা)
11. Comilla (কুমিল্লা)
12. Cox's Bazar (কক্সবাজার)
13. Dhaka (ঢাকা)
14. Dinajpur (দিনাজপুর)
15. Faridpur (ফরিদপুর)
16. Feni (ফেনী)
17. Gaibandha (গাইবান্ধা)
18. Gazipur (গাজীপুর)
19. Gopalganj (গোপালগঞ্জ)
20. Habiganj (হবিগঞ্জ)
21. Jaipurhat (জয়পুরহাট)
22. Jamalpur (জামালপুর)
23. Jessore (যশোর)
24. Jhalakathi (ঝালকাঠী)
25. Jhinaidah (ঝিনাইদাহ)
26. Khagrachari (খাগড়াছড়ি)
27. Khulna (খুলনা)
28. Kishoreganj (কিশোরগঞ্জ)
29. Kurigram (কুড়িগ্রাম)
30. Kushtia (কুষ্টিয়া)
31. Lakshmipur (লক্ষ্মীপুর)
32. Lalmonirhat (লালমনিরহাট)
33. Madaripur (মাদারীপুর)
34. Magura (মাগুরা)
35. Manikganj (মানিকগঞ্জ)
36. Meherpur (মেহেরপুর)
37. Moulvibazar (মৌলভীবাজার)
38. Munshiganj (মুন্সীগঞ্জ)
39. Mymensingh ( ময়মনসিংহ)
40. Naogaon (নওগাঁ)
41. Narayanganj (নারায়ণগঞ্জ)
42. Narsingdi (নরসিংদী)
43. Natore (নাটোর)
44. Nawabgonj (নওয়াবগঞ্জ)
45. Netrokona (নেত্রকোনা)
46. Nilphamari (নীলফামারী)
47. Noakhali (নোয়াখালী)
48. Norail (নড়াইল)
49. Pabna (পাবনা)
50. Panchagarh (পঞ্চগড়)
51. Patuakhali (পটুয়াখালী)
52. Pirojpur (পিরোজপুর)
53. Rajbari (রাজবাড়ী)
54. Rajshahi (রাজশাহী)
55. Rangamati (রাঙ্গামাটি)
56. Rangpur (রংপুর)
57. Satkhira (সাতক্ষীরা)
58. Shariyatpur (শরীয়তপুর)
59. Sherpur (শেরপুর)
60. Sirajgonj (সিরাজগঞ্জ)
61. Sunamganj (সুনামগঞ্জ)
62. Sylhet (সিলেট)
63. Tangail (টাঙ্গাইল)
64. Thakurgaon.(ঠাকুরগাঁও

Wednesday, September 23, 2020


আকাশলীনা
- জীবনানন্দ দাশ---সাতটি তারার তিমির


সুরঞ্জনা, ঐখানে যেয়োনাকো তুমি,
বোলোনাকো কথা অই যুবকের সাথে;
ফিরে এসো সুরঞ্জনা:
নক্ষত্রের রুপালি আগুন ভরা রাতে;


ফিরে এসো এই মাঠে, ঢেউয়ে;
ফিরে এসো হৃদয়ে আমার;
দূর থেকে দূরে আরও দূরে
যুবকের সাথে তুমি যেয়োনাকো আর।


কী কথা তাহার সাথে? তার সাথে!
আকাশের আড়ালে আকাশে
মৃত্তিকার মতো তুমি আজ:
তার প্রেম ঘাস হয়ে আসে।

সুরঞ্জনা,
তোমার হৃদয় আজ ঘাস :
বাতাসের ওপারে বাতাস -
আকাশের ওপারে আকাশ।


কবিতা আশ্বিন ১৩৪৪


সপ্তক

- জীবনানন্দ দাশ---সাতটি তারার তিমির

এইখানে সরোজিনী শুয়ে আছে; জানি না সে এইখানে
শুয়ে আছে কিনা।
অনেক হয়েছে শোয়া;
তারপর একদিন চলে গেছে
কোন দূর মেঘে।
অন্ধকার শেষ হ
লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে :
সরোজিনী চলে গেলো অতদূর? সিঁড়ি ছাড়া
পাখিদের
মত পাখা বিনা?
হয়তো বা মৃত্তিকার জ্যামিতিক ঢেউ আজ? জ্যামিতির
ভূত বলে: আমি তো জানি না।
জাফরান
আলোকের বিশুষ্কতা সন্ধ্যার আকাশে আছে লেগে:
লুপ্ত বেড়ালের মত; শূণ্য চাতুরির মূঢ় হাসি নিয়ে জেগে।

 


আট বছর আগে একদিন

- জীবনানন্দ দাশ---মহাপৃথিবী

শোনা গেল লাশকাটা ঘরে
নিয়ে গেছে তারে;
কাল রাতে ফাল্গুনের রাতের আধারে
যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাদ
মরিবার হল তার সাধ।

বধু শুয়ে ছিল পাশে-শিশুটিও ছিল;
প্রেম ছিল, আশা ছিল জোছনায় তবু সে দেখিল
কোন্ ভূত? ঘুম কেন ভেঙে গেল তার?
অথবা হয় নি ঘুম বহুকাল- লাশকাটা ঘরে মুয়ে ঘুমায় এবার।

এই ঘুম চেয়েছিল বুঝি!
রক্তফেনামাখা মুখে মড়কের ইঁদুরের মতো ঘাড় গুঁজি
আঁধার ঘুঁজির বুকে ঘুমায় এবার
কোনোদিন জাগিবে না আর।

কোনদিন জাগিবে না আর
জানিবার গাঢ় বেদনার
অবিরাম অবিরাম ভার
সহিবে না আর-

এই কথা বলেছিল তারে
চাঁদ ডুবে চলে গেলে অদ্ভুত আঁধারে
যেন তার জানালার ধারে
উটের গ্রীবার মতো কোনো এক নিত্বব্ধতা এসে।
তবুও তো পেঁচা জাগে;
গলিত স্থবির ব্যাঙ আরো দুই মুহূর্তের ভিক্ষা মাগে
আরেকটি প্রভাতের ইশারায়
অনুমেয় উষ্ণ অনুরাগে।

টের পাই যূথচারী আঁধারের গাঢ় নিরুদ্দেশে
চারি দিকে মশারির ক্ষমাহিন বিরুদ্ধতা;
মশা তার অন্ধকার সঙ্ঘারামে জেগে থেকে জীবনের স্রোতে ভালোবাসে।

রক্ত ক্লেদ বসা থেকে রৌদ্রে ফের উড়ে যায় মাছি;
সোনালি রোদের ঢেউয়ে উড়ন্ত কীটের খেলা কত দেখিয়াছি।
ঘনিষ্ঠ আকাশ যেন কোন্ বিকীর্ণ জীবন
অধিকার করে আছে ইহাদের মন:
দুরন্ত শিশুর হাতে ফড়িঙের ঘর শিহরণ
মরণেরাসথে লড়িয়াছে;
চাঁদ ডুবে গেলে পর প্রধান আঁধারে তুমি অশ্বত্থের কাছে
একা গাছা দড়ি হাতে গিয়েছিলে তবু একা একা;
যে জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের মানুষের সাতে তার হয় নাকো দেখা
এই জেনে।

অশ্বত্থের শাখা
করে নি কি প্রতিবাদ? জোনাকির ভিড় এসে
সোনালি ফুলের স্নিগ্ধ ঝাঁকে
করে নি কি মাখামাখি?
বলে নি কি: বুড়ি চাঁদ গেছে বুঝি বেনো জলে ভেসে?
চমৎকার!
ধরা যাক দু-একটা ইদুর এবার!
জানায় নি পেচা এসে এ তুমুল গাঢ় সমাচার?

জীবনের এই স্বাদ- সুপক্ক যবের ঘ্রাণ হেমন্তের বিকেলের-
তোমার অসহ্য বোধ হল;
মর্গে কি ওমোটে
থ্যাঁতা ইঁদুরের মতো রক্তমাখা ঠোঁটে!

শোনো
তবু এ মৃতের গল্প;-কোনো
নারীর প্রণয়ের ব্যর্থ হয় নাই;
বিবাহিতা জীবনের সাধ
কোথাও রাখে নি কোনো খাদ,
সময়ের উদবর্তনে উঠে এসে বধূ
মধু-আর মননের মধু
দিয়েছে জানিতে
হাড়হাভাতের গ্লানি বেদনার শীতে
এ জীবন কোনোদিন কেঁপে ওঠে নাই;
তাই
লাশকাটা ঘরে
চিৎ হয়ে শুয়ে আছে টেবিলের
পরে।

জানি-তবু জানি
নারীর হৃদয়-প্রেম-শিশু-গৃহ-নয় সবখানি;
অর্থ নয়, র্কীতি নয়, সচ্ছলতা নয়-
আরো এক বিপন্ন বিস্ময়
আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভিতরে
খেলা করে
আমাদের ক্লান্ত করে;
ক্লান্ত ক্লান্ত করে:
লাশকাটা ঘরে
সেই ক্লান্তি নাই;
তাই
লাশকাটা ঘরে
চিৎ হয়ে শুয়ে আছে টেবিলের
পরে।

তবু রোজ রাতে আমি চেয়ে দেখি, আহা,
থুরথুরে অন্ধ পেচা অশ্বত্থের ডালে বসে এসে
চোখ পালটায় কয়: বুড়ি চাঁদ গেছে বুঝি বেনো জলে ভেসে?
চমৎকার!
ধরা যাক দু একটা ইদুর এবার

হে প্রগাঢ় পিতামহী , আজও চমৎকার?
আমিও তোকার মতো বুড়ো হব
বুড়ি চাঁদটারে আমি করে দেব
কালীদহে বেনো জলে পার;
আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার।

 

 

মুহূর্ত

- জীবনানন্দ দাশ---মহাপৃথিবী

আকাশে জোছনা-বনের পথে চিতাবাঘের গায়ের ঘ্রাণ;
হৃদয় আমার হরিণ যেন:
রাত্রির এই নীরবতার ভিতর কোন্ দিকে চলেছি!
রতপালি পাতার ছায়া আমার শরীরে,
কোথাও কোনো হরিণ নেই আর;
যত দূর যাই কাসেতর মতো বাঁকা চাঁদ
শেষ সোনালি হরিণ-শস্য কেটে নিয়েছে যেন;
তারপর ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে
শত শত মৃগীদের চোখের ঘুমের অন্ধকারের ভিতর।

 

 

মাসিক পরীক্ষা: অষ্টম শ্রেণি

তারিখ: ০১.১০.২০

বাংলা নববর্ষ- -১ টি সৃজনশীল-১০

একুশের গান -১ টি সৃজনশীল-১০

বহুনির্বাচনী-১০

ব্যাকরণ-অধ্যায়-৪.১, ৪.৫, ৪.৬, ৪.৮-১০

মোট: ৪০

সময়: সকাল ১০ টা হতে দুপুর ১২ টার মধ্যে

 

sabujhowlader757@gamil.com

imo: 01712-790757

Tuesday, September 22, 2020

জলপাইয়ের অসাধারণ পুষ্টিগুণ!

শীতকাল জলপাইয়ের সময়। জলপাইয়ের স্বাদের জন্য অনেকেই এটা খুব পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি জানেন কি জলপাইয়ের অসংখ্য স্বাস্থ্যগত উপকারিতা আছে—

জলপাই খাবেন যে ২০ কারণে-

v  জলপাই রক্তের অতিরিক্ত কোলেস্টেরল দূর করে।

v  জলপাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।

v  জলপাইয়ে প্রচুর আঁশ বা ফাইবার রয়েছে, ফলে এটা সবজি ও ফল দুটারই কাজ করে।

v  জলপাইতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই রয়েছে।

v  জলপাই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কোষের সুরক্ষার কাজ করে।

v  ধীরে ধীরে বাড়ে এবং জটিল আকার ধারণ করে এমন রোগের প্রভাব কমায় জলপাই। যেমন আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রম, জটিল ধরনের টিউমার, রগ কিছুটা ফুলে যাওয়া, দাঁতের ক্যাভিটি ইত্যাদি রোগের প্রভাব কমিয়ে আনে জলপাই।

v  রক্ত বেশি জমাট বাঁধা থেকে অনেক সময় মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন অথবা রক্তনালীর ভিতরে রক্তের ঘনত্ব মারাত্মকভাবে বেড়ে যেতে পারে। এই ধরনের রক্ত জমাট বাঁধা রোধ করে জলপাই।

v  জলপাই ক্যান্সার বিস্তারের বিরুদ্ধে কোষের মেমব্রেনকে রক্ষা করে।

v  রক্তশূন্যতা বা অ্যানেমিয়ার একটি বড় প্রতিকারের নাম জলপাই।

v  জলপাই উর্বরতা বাড়ায় এবং প্রজনন প্রক্রিয়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

v  ভাইরাল অসুখ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিপরীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে জলপাই।

v  জলপাই যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়।

v  জলপাইতে প্রচুর পুষ্টিকর ও খনিজ উপাদান আছে। যেমন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস এবং আয়োডিন।

v  জলপাই শরীরে দরকারি ভিটামিন ও অ্যামিনো এসিড সরবরাহ করে।

v  জলপাইতে অলেইক এসিড রয়েছে, আর এই অলেইক এসিড হার্টের সুরক্ষার কাজ করে।

v  জলপাইতে পলিফেনল থাকে। পলিফেনল হলো এক ধরনের প্রাকৃতিক কেমিক্যাল, এটা মস্তিষ্কে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়। প্রতিদিন নিয়মিত জলপাই খেলে আপনার স্মৃতিশক্তি শতকরা ২৫ ভাগ বাড়ার কথা।

v  এক কাপ জলপাইতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে—৪.৪ মিলিগ্রাম।

v  জলপাইতে অলেইক এসিড আছে। এই অলেইক এসিড ত্বককে রাখে নরম, মসৃণ ও স্বাস্থ্যকর। তাই নিয়মিত জলপাই খেলে ত্বকের বলিরেখা ২০ শতাংশ কমে যাবে।

v  প্রতিদিন খাওয়ার আগে ১০ টি জলপাই খেলে আপনার ক্ষুধা ২০ শতাংশ কমে যাবে। এর কারণ হলো জলপাইতে থাকা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড হজম প্রক্রিয়া ধীরগতির করে দেয় এবং কোলেসাইটোকিনিন নামক হরমোন নিঃসরণ ঘটায়। এই হরমোন মস্তিষ্কে ক্ষুধা নিবৃত্তি বা সম্পূর্ণ হওয়ার মেসেজ পাঠায়।

v  শুধু তাই নয়, জলপাই আপনার শরীরে আডিপোনেকটিন নামক রাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন হওয়ার পরিমাণ বাড়ায়। এই রাসায়নিক পদার্থটি খাওয়ার পাঁচ ঘণ্টা পর পর্যন্ত ফ্যাট বার্ন করে বা মেদ ঝরায়।

Monday, September 21, 2020

তোমায় আমি

     - জীবনানন্দ দাশ---সংকলিত


তোমায় আমি দেখেছিলাম বলে

তুমি আমার পদ্মপাতা হলে;

শিশির কণার মতন শূন্যে ঘুরে

শুনেছিলাম পদ্মপত্র আছে অনেক দূরে

খুঁজে খুঁজে পেলাম তাকে শেষে।


নদী সাগর কোথায় চলে বয়ে

পদ্মপাতায় জলের বিন্দু হয়ে

জানি না কিছু-দেখি না কিছু আর

এতদিনে মিল হয়েছে তোমার আমার

পদ্মপাতার বুকের ভিতর এসে।


তোমায় ভালোবেসেছি আমি, তাই

শিশির হয়ে থাকতে যে ভয় পাই,

তোমার কোলে জলের বিন্দু পেতে

চাই যে তোমার মধ্যে মিশে যেতে

শরীর যেমন মনের সঙ্গে মেশে।


জানি আমি তুমি রবে-আমার হবে ক্ষয়

পদ্মপাতা একটি শুধু জলের বিন্দু নয়।

এই আছে, নেই-এই আছে নেই-জীবন চঞ্চল;

তা তাকাতেই ফুরিয়ে যায় রে পদ্মপাতার জল

বুঝেছি আমি তোমায় ভালোবেসে।


আমাকে একটি কথা দাও

                  - জীবনানন্দ দাশ---বেলা অবেলা কালবেলা


আমাকে একটি কথা দাও যা আকাশের মতো

সহজ মহৎ বিশাল,

গভীর - সমস্ত ক্লান্ত হতাহত গৃহবলিভুকদের রক্তে

মলিন ইতিহাসের অন্তর ধুয়ে চেনা হাতের মতন:

আমি যাকে আবহমান কাল ভালোবেসে এসেছি সেই নারীর।

সেই রাত্রির নক্ষত্রালোকিত নিবিড় বাতাসের মতো;

সেই দিনের - আলোর অন্তহীন এঞ্জিন-চঞ্চল ডানার মতন

সেই উজ্জ্বল পাখিনীর - পাখির সমস্ত পিপাসাকে যে

অগ্নির মতো প্রদীপ্ত দেখে অন্তিমশরীরিণী মোমের মতন।

 

 

মেথি খাবেন যে ১১ কারণে!


            💜    ওজন কমাতে সাহায্য করে।         
*        জ্বর ও গলা ব্যথার জন্য উপকারী।
*        চুল পড়া রোধে সাহায্য করে।
*        হজমে সাহায্য করে।
*        রক্তে গ্লুকোজ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।
*        ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে সাহায্য করে।
*        মাথার খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।
*        সন্তান জন্মদানে সাহায্য করে। 
*        কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।
*        ঋতুস্রাবের কষ্ট হ্রাস করে।
*        কিডনি ভাল রাখতে সাহায্য করে।