# বাঙালি যেদিনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বলতে পারবে-
‘বাঙালির বাংলা’ সেদিন তারা অসাধ্য সাধন করবে। বাঙালির মতো জ্ঞান-শক্তি ও প্রেম-শক্তি
এশিয়ায় কেন, বুঝি পৃথিবীতে কোনো জাতির নেই। কিš‘ কর্ম-শক্তি একেবারে নেই বলেই তাদের
এই দিব্যশক্তি তমসা”ছন্ন হয়ে আছে। তাদের কর্ম-বিমুখতা, জড়তা, মৃত্যুভয়, আলস্য, তন্দ্রা,
নিদ্রা, ব্যবসা-বাণিজ্যে অনি”ছার কারণ। তারা তামসিকতায় আ”ছন্ন হয়ে চেতনা-শক্তিকে হারিয়ে
ফেলেছে। এই তমঃ এই তিমির, এই জড়তাই অবিদ্যা। অবিদ্যা কেবল অন্ধকার পথে ভ্রান্তির পথে
নিয়ে যায়; দিব্যশক্তিকে নিস্তেজ, মৃতপ্রায় করে রাখে।
সারাংশ: বাঙালি তাদের সঠিক পরিচয় বিশ্বের
সামনে তুলে ধরার জন্য কর্মে আত্মনিয়োগ করতে হবে। অলসতা আর কাজের প্রতি অনীহার জন্য
তারা জগতের সবকিছু থেকে পিছিয়ে আছে। এই আলস্য ও কর্ম বিমুখতাকে উপেক্ষা করে বাঙালিকে
জেগে উঠতে হবে। তবেই বাংলা প্রকৃত অর্থে বাঙালির হবে।
# একজন মানুষ ভালো কি মন্দ, আমরা তা বুঝতে পারি তার ব্যবহার দিয়ে। সে
ভদ্র কি অভদ্র তাও বুঝতে পারি তার ব্যবহার দিয়ে। ব্যবহার ভালো হলে লোকে তাকে ভালো বলে।
তাকে পছন্দ করে। ব্যবহার খারাপ হলে লোকে তাকে খারাপ বলে। তাকে অপছন্দ করে। তার সঙ্গে
মিশতে চায় না। তার সঙ্গে কাজ করতে চায় না। তাকে কাছে ডাকতে চায় না। তোমার ব্যবহারই তোমার মনুষ্যত্বের পরিচয়।
সারাংশ: সুন্দও ব্যবহারের মধ্যেই মনুষ্যেত্বের
পরিচয় নিহিত। মানুষের কথা-বার্তা, চিন্তা, মনোভাব ও আদব-কায়দারর মধ্য দিয়েই সুন্দর
ব্যবহারের প্রকাশ ঘটে। ভালো ব্যবহার দিয়ে সহজে অপরের ভালোবাসা পাওয়া যায়। তাই সবাইকে
ভালো ব্যবহারের অধিকারী হতে হবে।
No comments:
Post a Comment